Spread the love

দেশে গত ১০ বছরে চোট-বড় অন্তত ১৬ হাজার অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রাণ হারিয়েছে ১৫৯০ জন। বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের ২০১০ থেকে ২০১৮ সালের পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য পাওয়া যায়।

গত ১০ বছরে বড় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছিল ২০১০ সালে, পুরান ঢাকার নিমতলীতে। এতে ১২৪ জন নিহত হন। এর পরের বছর সাভারের আশুলিয়ায় তাজরীন ফ্যাশনসের অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারান ১১১ জন। আর ২০১৬ সালে টঙ্গীর টাম্পাকো ফয়েলস কারখানার অগ্নিকাণ্ডে মারা যান ৪১ জন।

ফায়ার সার্ভিসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১০ সালে সারা দেশে ১৪,৬৮২টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ২৭১ জন নিহত ও ৭৯৪ জন আহত হন। ২০১১ সালে ১৫,৮১৫টি দুর্ঘটনায় ৩৬৫ জন নিহত ও ১,৪৭৯ জন আহত হন। একইভাবে ২০১২ সালে ২১০ জন নিহত ও ৮০৩ জন আহত, ২০১৩ সালে ১৬১ জন নিহত ও ১,৪৭১ জন আহত, ২০১৪ সালে ৭০ জন নিহত ও ২৫০ জন আহত, ২০১৫ সালে ৬৮ জন নিহত ও ২৫৪ জন আহত, ২০১৬ সালে ৫২ জন নিহত ও ২৬৭ জন আহত, ২০১৭ সালে ৪৫ জন নিহত ও ২৮৪ জন আহত এবং ২০১৮ সালে ১৩০ জন নিহত ও ৬৭৭ জন আহত হন। এতে ৪ হাজার কোটি টাকার ওপর আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

পরিসংখ্যান মতে, দেশের আট বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অগ্নিকান্ড ঘটে ঢাকায়। আর সবচেয়ে কম হয় সিলেটে।

এর কারণ সম্পর্কে ফায়ার সার্ভিএর পরিচালক মেজর এ কে এম শাকিল নেওয়াজ বলেন, অন্য বিভাগীয় শহরের তুলনায় ঢাকার আয়তন, বয়স, ভবন ও মানুষের সংখ্যা, কারখানা সবই বেশি। তাই ঢাকায় সবচেয়ে ঝুঁকি ও দুর্ঘটনা বেশি।

অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত সম্পর্কে তদন্ত করে দেখা যায়  বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণেই বেশি অগ্নিকান্ড ঘটে। ২০১৮ সালের ১৯,৬৪২টি অগ্নিকাণ্ডের মধ্যে ৭,৮২৫টি অগ্নিকাণ্ডই ঘটেছে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে। চুলার আগুন থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে ৩,৪৪৯টি। আর সিগারেটের আগুন থেকে ৩,১০৮টি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here