সংগৃহিত
Spread the love

অনেক প্রত্যাশার পর ‘ধর্মীয় পোশাক’ বিল পাস হলো নিউ ইয়র্ক স্টেট পার্লামেন্টের একটি কক্ষে। স্টেট অ্যাসেম্বলিতে ১০৬-১ ভোটে (এ ৪২০৪) পাস হওয়া এ বিল উত্থাপন  করেন নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশি অধ্যুষিত জ্যামাইকার অ্যাসেম্বলিম্যান ডেভিড ওয়েপ্রিন।স্টেট সিনেটে এই বিলকে পাস করানো দায়িত্ব নিয়েছেন বাংলাদেশিদের আরেক ভরসাস্থল সিনেটর জন ল্যু।

৯/১১ এর সন্ত্রাসী হামলার পর কর্মস্থলে হিজাব এবং টারবান পরে যারা যেতেন, তাদেরকে নানা পরিস্থিতির শিকার হতে হয়। বিমাতাসুলভ আচরণের অভিযোগ রয়েছে অসংখ্য। অনেকে চলতি পথে আক্রান্তও হয়েছেন। নিহত হয়েছেন বাংলাদেশি নাজমা খানম। এমন অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে প্রবাসীরা দাবি উঠিয়েছিলেন কর্মস্থলের ধর্মীয় পোশাক বিরোধী নিষিদ্ধের একটি বিধির জন্যে। শুধু তাই নয়, নিউ ইয়র্কে প্রতি বছর ১ ফেব্রুয়ারি হিজাব দিবসও পালিত হচ্ছে গত কয়েক বছর যাবৎ। সেই হিজাব দিবসকে জাতিসংঘও স্বীকৃতি দিয়েছে।

উল্লেখ্য, এই বিলটি সর্বপ্রথম উত্থাপন করা হয় ২০১১ সালে। ডেভিড ওয়েপ্রিনের উত্থাপিত বিলটি ২০১৩ সাল থেকে প্রতিটি অধিবেশনেই পাস হয়েছিল। কিন্তু স্টেট সিনেটে সেটি উত্থাপিত না হওয়ায় তা আইনে পরিণত করার উপযোগী হয়নি। তবে এবার সে নিশ্চয়তা দিলেন স্টেট সিনেটর জন ল্যু। এ বছরই তা সিনেটেও পাস হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে আশ্বাস দেন সিনেটর ল্যু।

ডেভিড ওয়েপ্রিন বলেন, ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক অপরাধের মাত্রা বেড়ে চলায় নিউ ইয়র্কের সকল প্রশাসনের জন্য দায়িত্ব হয়ে পড়েছে কর্মস্থল এবং চলতি পথে কেউ যাতে হয়রানি, হেনস্তা এবং বিমাতাসূলভ আচরণের শিকার না হয়। এ বিল পাসের মধ্য দিয়ে এটি এখন নিশ্চিত হবে যে, এই স্টেটের কেউই ধর্মীয় পোশাকের কারণে কোনও ধরনের হয়রানির শিকার হবে না।

এ প্রসঙ্গে নিউ আমেরিকান ভোটার এসোসিয়েশনের (নাভা) নির্বাহী সচিব রোকেয়া আকতার বলেন, নাম ফ্রেন্ডস হলেও কার্যত তিনি ধর্মবিশ্বাসীদের বন্ধু হতে পারেননি। আশা করছি, নিকট ভবিষ্যতে তার বোধোদয় ঘটবে।

এই  সংবাদ সম্মেলনে নাভার প্রেসিডেন্ট ড. দীলিপ নাথসহ আরো কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here