সংগৃহিত
Spread the love

বাংলাদেশের পেশাদার ফুটবল লিগকে লজ্জা দিলো নোয়াখালীর শহীদ ভুলু স্টেডিয়াম। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের নতুন এ ভেন্যু পাইওনিয়ার লিগ খেলারও যোগ্য নয়। অথচ দেশের শীর্ষ লিগের অন্যতম ভেন্যু করা হয়েছে এই স্টেডিয়ামকে। বিজেএমসি ও নোফেল স্পোর্টিং ক্লাবের হোম ভেন্যু এ স্টেডিয়ামটি।

প্রথমবারের মতো প্রিমিয়ার লিগের ভেন্যু হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে নোয়াখালীর শহীদ ভুলু স্টেডিয়াম। হোম ভেন্যু হিসেবে মাঠটি বেছে নিয়েছে নোফেল স্পোর্টিং ও টিম বিজেএমসি। ৪টি ম্যাচও খেলা হয়েছে এই মাঠে। সেখানে খেলে এসেছে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্র ও সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব। হয়েছে স্বাগতিক দুই দল বিজেএমসি ও নোফেলের ম্যাচও। কিন্তু প্রায় সব দলের খেলোয়াড়দের মুখে শোনা যায় মাঠ নিয়ে অভিযোগ।

ফুটবলের ১৭টি আইনের মধ্যে প্রথমটি হচ্ছে খেলার মাঠ। কারণ জায়গা ছাড়া খেলা অসম্ভব। আর ভালো ফুটবল খেলার জন্য প্রধান শর্ত ভালো মাঠ। কিন্তু সে খেলা মাঠ যদি হয় অসমতল, ঘাসবিহীন ন্যাড়া, মাঝখানে ক্রিকেটের পিচ। এমন মাঠে ভালো ফুটবল অসম্ভব বটে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ছবি দেখেই বোঝা যাচ্ছে মাঠের কি বেহাল অবস্থা। শক্ত ন্যাড়া মাঠের কোথাও কোথাও ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে গোবর। রিজার্ভ খেলোয়াড়দের বসার বেঞ্চ বানানো হয়েছে ডেকোরেটরের কাপড় ও বাঁশ দিয়ে। সব মিলিয়ে মাঠ দেখে একেবারেই হতাশ বসুন্ধরার স্প্যানিশ কোচ অস্কার ব্রুজোন।

সংগৃহিত

বসুন্ধরা ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম বলেন, ‘মাঠের যে অবস্থা, এই মাঠে খেলা কোনো ভাবেই সম্ভব নয়। আমাদের খেলোয়াড়েরা মাঠ দেখেই ভেঙে পড়েছে। ন্যূনতম ভালো বলতে যা বোঝায়, সে অবস্থাতেও নেই। কোচ অস্কার তো একেবারেই ভেঙে পড়েছেন।’

সংগৃহিত

 

বিজেএমসির বিপক্ষে প্রিমিয়ার লিগের অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলতে বসুন্ধরা কিংস এখন নোয়াখালীতে। কিন্তু ম্যাচের আগেই মাঠ দেখে ভেঙে পড়েছেন দলের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফ। আজ বিকেলে ৩টা থেকে শুরু হয়েছে ম্যাচটি।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here